M.A Al-Noman

Dhaka, bangladesh

Get Update on our recent Tips & Posts

Showing posts with label Love Story. Show all posts
Showing posts with label Love Story. Show all posts

Saturday, January 6, 2018

রং নাম্বার

 

রং নাম্বার ......................................

ছেলে:-হ্যালো.
মেয়ে:-কে আপনি?
ছেলে:-আমি Rana
মেয়ে:-কাকে ফোন দিয়েছেন?
ছেলে:-সরি আমি ভুল নাম্বারে কল দিয়েছি.
মেয়ে:-ওকে,আর ফোন দিও না, লাইন "কাট". :
ছেলে পরের দিন কল দিয়ে বসল..
মেয়ে:-এই ছাগল তোকে বলেছি না ফোন দিবি না.."কাট"
ছেলে আবার কল দিল...
মেয়ে:-এই কূত্তার বাঁচ্চা ফোন দিলি কেন,"কাট" _
নাইম এভাবে একধারে ৩মাস বকা শুনল সে কখনই মেয়েটাকে কিছুই বলেনি.
ছেলে আবার কল দিল.
মেয়ে:-এই ছাগলের বাঁচ্চা তরে এত বকা দেই তার পরেও ফোন দেস কেন,আসলে তোর জন্মের ঠিক নাই তোর মা তোর মা তোকে কিভাবে জন্ম দিছে হ্যা.লাইন "কাট"
ছেলে:-এত বড় বকা শুনে দু চোখে পানি চলে আসল. তখন বলল মেডাম আমি ইচ্ছা করেই ৩মাস আপনার বকা শুনেছি শুধু আপনার কণ্ঠটা শোনার জন্য এত বড় বকা দিলেন আজও কিছু বলব না,শুধু এটুকুই বলব যে আপনার কণ্ঠটা অনেক সুন্দর. লাইন "কাটুন" _
মেয়ে মাদ্রাসায় পড়ে ৩মাস পর হঠাৎ মানসিক চাপে পরে গেল মেয়েটি ঠিকমত ঘুমাইনা খায়না কারো সাথে কথাও বলে না. মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ,তার কিছুই ভাল লাগে না. শুধু এটাই ভাবে ছেলেটাকে এত বড় বকা দিলাম একটু প্রতিবাদ ও করল না. ছেলেটার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে. মেয়ে কল দিল কিন্তু ৬মাস হয়ে গেল ফোন বন্ধ. ছেলের জন্য তার মা বাবা বিয়ে ঠিক করেছে রাত পোহালেই তার বিয়ে হঠাৎ বন্ধ সিম চালু করতেই দেখে ৫ হাযারের ও বেশি মিসকল ঐ মেয়েটার. ২মিনিট পরেই মেয়েটির কল আসল
ছেলে:-হ্যালো. _মেয়ে কাঁন্নার সুরে বলে তুমি কই ছিলা এতদিন?
ছেলে:-আমি কই ছিলাম তা জেনে আপনার কি প্রয়োজন?
মেয়ে:-আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও আমি তোমাকে ভালো বেসে ফেলেছি.
ছেলে:-তুমি ৩মাস বকা দিয়ে ভালোবেসেছো আর আমি প্রথম বকা খেয়ে তোমাকে ভালোবেসেছিলাম. ঠিক আছে ক্ষমা করে দিব যদি তুমি অামার বিয়েতে আসো.
মেয়ে:-কি করে আসব কাল তো আমারো বিয়ে. , বিয়ে শেষে বউ নিয়ে বাড়িতে আসল ছেলেটি. বাসর রাতে যখন মেয়ের কাছে গিয়ে দেখে, মেয়ে এত কাঁন্না করছে যার কোন সীমা নাই.
মেয়ে:-ওগো স্বামী আমার একটা কথা রাখবা
ছেলে:-বলো নিশ্চয় রাখব
মেয়ে:-আমি বিয়ের আগে একটা ছেলেকে ৩মাস বকা দিয়েছি তার কাছে ক্ষমা চেয়ে আমি তোমার সাথে বাসর করব তুমি কি এই ইচ্ছেটা পূরণ করবে.
ছেলে:-ও আমার জান তুমি যাকে বকা দিয়েছিলে আমিই সেই ভাগ্যবান ছেলে আমার মা বাবা যে আমার জন্য তোমাকে ঠিক করেছে তা আমি আগে জানতাম না. দুজন দুজনের গলা জরিয়ে ধরল.. এবং এই আনন্দে ওরা বাসরের কথা ভুলেই গেছে,, , আর গল্পটিও শেষ হলো..

Thursday, March 2, 2017

কেনো এতো ভালোবাসো আমায়?

 


মেয়ে : আমি কি তোমার মনে জায়গা করে নিতে পেরেছি?
ছেলে : না।
মেয়ে : আমাকে কি তুমি পছন্দ করো??
ছেলে : মনে হয় না!
মেয়ে : তুমি কি আমাকে চাও?
ছেলে : না !
মেয়ে : আমি চলে গেলে তুমি
কাঁদবে?
ছেলে : না।
মেয়ে : তুমি কি আমার জন্যে
বাঁচবে??
ছেলে : না।
মেয়ে : তুমি কি আমার জন্যে
কিছুই করবে না??
ছেলে : না…
মেয়ে : আমি এবং তোমার লাইফ
এই ২টার ভিতরে কোনটা কে
বেছে নিবে???
ছেলে : আমার লাইফ…
_মেয়েটি খুব কষ্ট পেয়ে চলে গেলো,
ছেলেটির এই রকম উওর পেয়ে।
ছেলেটি তখন চিৎকার করে
বলতে শুরু করলো……

তুমি আমার মনে ডুকতে পারো নি,
কারন, তুমি আমার মনের ভিতরেই আছো।
আমি তোমাকে পছন্দ করিনা,
কারন, আমি তোমাকে ভালোবাসি…
আমি তোমাকে চাইনা, কারন,
আমার তোমাকে প্রয়োজন সবসময়।
আমি কাঁদবো না তুমি চলে গেলে,
কারন, তুমি চলে গেলে আমি মরেই যাবো।
…আমি তোমার জন্যে বাঁচবো না,
কারন, আমি তোমার জন্যে মরতে
পারি।
আমি তোমার জন্যে কিছুই করবো না,
কারন, তুমি জানো আমি সব কিছুই করি তোমার জন্যে…
…আমি আমার জীবন কে বেছে নিলাম,
কারন, তুমিই যে আমার জীবন।
মেয়েটি ছেলেটির এই কথা শুনে
দৌড়ে এসে ছেলেটিকে জড়িয়ে
ধরে, কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলো…
মেয়ে : কেনো এতো ভালোবাসো
আমায়?

ছেলে : জানিনা। তবে ভালোবাসি
তাই ভালোবাসি তোমায়……!!!

Monday, February 27, 2017

মা...

 

মা...
মাকড়সার ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। শত শত ক্ষুদে বাচ্চা। ক্ষুদার্থ বাচ্চাগুলোর পৃথিবীতে আসার পরই খাদ্যের দরকার হয়। কিন্তু মা মাকড়সা বাচ্চাদের ছেড়ে খাবার আনতে যেতে পারেনা এই ভয়ে যে কেউ এসে বাচ্চার কোন ক্ষতি যদি করে। নিরুপায় মা মাকড়সা শেষমেশ নিজ দেহটাকে বাচ্চাদের খাদ্য বানায়। বাচ্চারা খুটে খুটে মায়ের দেহ খেয়ে একসময় চলে যায় যার যার পথে। পেছনে পড়ে থাকে মায়ের শরীরের খোলস। 

মা...
.
জাপানের ভয়াবহ ভূমিকম্পের সময়ের কথা। উদ্ধারকর্মীরা একটি ভেঙ্গে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তুপ থেকে জীবিত কাউকে উদ্ধারের আশায় এসেছে। এ সময় বাড়িটির ভেতরে একটা ভেঙ্গে পড়া থামের নীচে এক মহিলার মৃতদেহ দেখতে পায় তারা। মহিলাটির পিঠের উপর সিমেন্টের থাম পড়েছে। মহিলাটি হাটু গেরে মাটিতে উবু হয়ে বসে আছেন। যেন থামের আঘাত থেকে কিছুকে আড়াল করে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন মহিলা। রেসকিউ টিম থাম কেটে মহিলার মৃতদেহ উপর করলে ভেতরে পাওয়া যায় এক বছর বয়সী এক বাচ্চা। ফুটফুটে বাচ্চা। মা সন্তান কে রক্ষার জন্য এভাবেই সন্তানকে ঢেকে উবু হয়ে রয়েছিলেন যাতে থাম ভেঙ্গে মায়ের পিঠে পড়ে। সন্তান যাতে তবুও বাঁচে।
মা...
.
ঢাকার কোন এক বৃদ্ধাশ্রমের সকালের দৃশ্য। বিদেশ ফেরত এক সন্তান তার অসুস্থ বৃদ্ধা মা কে বৃদ্ধাশ্রমে এনে পাচ nহাজার টাকা ধরিয়ে দেন বৃদ্ধাশ্রমের কর্মীদের তার মাকে জায়গা দেয়ার জন্য। সেদিন রাতে বৃদ্ধার মৃত্যু হয়। বৃদ্ধাশ্রম থেকে বৃদ্ধার ছেলেকে খবর দেয়া হয় যে তার মা মারা গেছে। ছেলে ছুটে আসে এই খবর পেয়ে। কেন মায়ের প্রতি ভালোবাসার জন্য? না। বৃদ্ধার ছেলে মায়ের লাশ ঠিকমত না দেখেই, বৃদ্ধাশ্রমের ম্যানেজার কে ঘুষ অফার করে
- আপনাকে আমি বিশ হাজার টাকা দেব। আপনি শুধু পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করতে এলে বলবেন, এই মহিলাকে আপনি রাস্তার উপর মৃত পেয়েছেন। বইলেন না আমিই উনাকে কাল এখানে এনে রেখেছি সেদিন ওই কুলাঙ্গার সন্তানের কথা শুনে বৃদ্ধাশ্রমের ম্যানেজার বোবা হয়ে গিয়েছিল। মৃত মায়ের লাশের দায়িত্ব নিতে পারেনা এমন ছেলেও কি আছে? কমলাপুর রেলস্টেশনের শীতের রাতের সে ঘটনা। সেবার খুব শীত পড়েছিল। বৃদ্ধা মা ছেলেকে নিয়ে থাকে প্ল্যাটফর্মে। এত দরিদ্র যে শীতে গায়ে দেয়ার কাথা মাত্র একটা। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত বৃদ্ধা। প্রতিদিনের মত ছেলে কাজ সেরে এসে মায়ের গায়ে কাথা টা টেনে দিয়ে নিজে শুল। শীতে ঠক ঠক করে কাপতেসে। সকালে সেই বৃদ্ধা কে শীতে মৃত পাওয়া গেল। বৃদ্ধার লাশ যখন পাওয়া গেল কাথাটা তখন ছেলের গায়ে ছিল। তবে কি মা...
.
মাঝে মাঝে চিন্তা করি মা শব্দটার ডেফিনেশন কি। থই হারিয়ে ফেলি। পাতালের তলায় পৌছান যাবে, দূরের গ্যালাক্সি ভ্রমন করা যাবে কিন্তু মা নামক মানুষটার ভালোবাসার কোন থই পাওয়া যাবেনা। মায়েদের ভালোবাসা পরিমাপ করার মত কোন ব্যারোমিটার এই পৃথিবীতে নেই। আমি ঈশ্বরকে দেখিনি, আমি আমার মা কে দেখেছি... আর সেই মায়ের চোখেঁর পানি আল্লাহ বরদাস্ত করবে না..... ভালো থাকুক সকল মায়েরা । এই প্রত্যাশা । 💗💗💗💗

Sunday, February 19, 2017

সব ছাড়তে পারবা আমার জন্য?

 

ছেলেটা তার শার্টের হাতা গুটাতে গুটাতে বললো,
- সব ছাড়তে পারবা আমার জন্য? বাবা, মা, ফ্যামিলি!
টলমলে চোখে মেয়েটি উত্তর দিল- সব ছাড়তে পারবো! সঅঅঅব...! আর কথ বের হচ্ছেনা, চোখ ভেসে যাচ্ছে।
ছেলেটি মেয়েটির চোখের জল মুছে দিয়ে মুচকি হেসেই বললো, কাউকেই ছাড়তে হবে না পাগলি! কিচ্ছু ছাড়তে হবেনা,বাসায় যাও। তোমার পরিবারের সাথে আমার ঠিক এক বছর পর কথা হবে। মেয়েটি চলে যাচ্ছিলো, ছেলেটি পেছন থেকে মেয়েটির ওড়না টেনে ধরলো। চোখে ব্যাথার জল এনে বললো, শুনো এ ১ বছরে তোমার সাথে অনেক কিছুই হবে..! তোমাকে ছেলেপক্ষ দেখতে আসবে! পছন্দ করবে...! বিয়ের আসরে নিয়ে যাওয়া হবে, কাজী আসবে তোমাকে বিয়ে পড়ানোর জন্য। আর যাই বলোনা কেনো, 'কবুল' শব্দটা কখনোই বলবা নাহ! কেমন, কক্ষনোই না।
মেয়েটি এবার কাঁদতে কাঁদতে ছেলেটির বাহু টেনে ধরলো
- এক্ষুনি চলো আমার সাথে (অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে)।
- ছেলেটি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, কোথায় যাবো?
আগে কাজী অফিসে তারপর মেডিকেলে। 

কাজী অফিসে গিয়ে তোমাকে 'কবুল' বলবো, তারপর মেডিকেলে গিয়ে নিজের কন্ঠনালী কেটে ফেলবো যাতে কাউকে কখনোই
'কবুল' শব্দটা বলতে না হয়। ছেলেটা তখন বাহুর সমস্ত শক্তি দিয়ে মেয়েটিকে টেনে বুকে জড়িয়ে নিলো। পশ্চিম আকাশে বেলাশেষের লাল সূর্যটা তখন মুচকি হাসছিলো।

Saturday, February 18, 2017

আজ ওর বিয়ে ।

 



আজ ওর বিয়ে ।
ঘড়িতে সময় ভোর ৪-৪০ মিনিট।
আমি রাস্তার মোড়ে
দাঁড়িয়ে বিয়ে বাড়ীর
লাইট জলার অপেক্ষায়
আছি।
কিন্তু মনে হচ্ছে ও আজ দেরী
করে ঘুম থেকে উঠবে।
কলেজে যাওয়ার জন্য অবশ্য
রোজ তাড়াতাড়ি উঠতো।
তাই আজ কেন তাড়াতাড়ি
কেন উঠবে?আজ তো ওর
বিয়ে।
ও তো জানেও না যে আমি
এখানে দাঁড়িয়ে আছি।
.
কয়েক বছর আগে ও ওর বাবা
মাকে আমাদের সম্পর্কের
কথা বলেছিল।কিন্তু ওর
বাবা মা মেনে নেয়নি।
বেচারী সেদিন খুব মার
খেয়েছিল।
তারপর অনেক দিন ওর
কলেজে যাওয়া বন্ধ ছিল।
তারপর যেদিন ওর সাথে
দেখা হলো,ততোদিনে
৭টি মাস কেটে গেছে।
আমাকে দেখে ও বাচ্চা
মেয়ের মত ফুপিয়ে ফুপিয়ে
কেঁদে ছিল।কান্নার
কারণে ঠিক মত কথাও বলতে
পারেনি।
আমার কান সেদিন অনেক
কিছু শুনতে চেয়েছিল।কিন্তু
আমি ওর চোখ দেখাতেই
ব্যস্ত ছিলাম।ও মাত্র দুই-
চারটি কথা বলেছিল।কিন্তু
আমি ওর চোখ দেখেই সবকিছু
বুঝে গিয়েছিলাম।
সেদিনের পর ওর সাথে
প্রতিদিন দেখাও করতাম।
আজকের মত প্রতিদিন আমি
এভাবেই দাঁড়িয়ে
থাকতাম।কখন যে সন্ধ্যা হয়ে
যেত বুঝতেই পারতাম না।
আমি জানতাম না সামনে
আমার ভাগ্য আমাকে
কোনদিকে নিয়ে যাবে।শুধু
মনে হত আমি যদি ওকে না
পাই তবে নিশ্চিৎ মরে যাব।
তবুও নিজেকে শক্ত করার
চেষ্টা করতাম।নিজেই
নিজেকে বলতাম-কান্না
করে কোন লাভ নেই।
আমার কথা শুনে ও খুব
কাঁদতো।একদিন আমি ওকে
বললাম-চলো আমরা
পালিয়ে যাই।ও কিছু
বলেনি,চুপচাপ ছিল।
আমি ওকে পালানোর জন্য
নতুন নতুন আইডিয়া দিতাম
আমার কথা শুনে ও কখনো
হাঁসতো,কখনো আমাকে
রাগ করতো।আবার কখনো ওর
চোখ দিয়ে পানি পড়তো।
.
আমি ওকে বলতাম-
দেখবে,আমাদের এসব কথা
মনে করে একদিন আমরা খুব
হাঁসবো।কিন্তু ও আমার কথা
বিশ্বাস করতো না।.
.
আজ ঐ মেয়েটার বিয়ে।
ঘড়িতে সময় রাত ১০টা।
এখানে প্রচুর মানুষ।
সবার চোখে মুখেই আজ
আনন্দ।শুধু আমিই একেবারে
চুপচাপ।
মেয়েটিকে আমি আজ কিছু
বলতে চাই।কিন্তু কেন
জানি আজ আমার মুখ থেকে
একটা শব্দও বের হচ্ছে না।
বিয়ের মঞ্চে মেয়েটি
দাঁড়িয়ে আছে।এই এক বছরে
মেয়েটি যতটুকু
কেঁদেছে,ঠিক ততোই হাঁসি
আজ তার মুখে।
আমি সাহস করে মেয়েটির
কাছে গেলাম।তারপর
বললাম-শুভ বিবাহ।
মেয়েটি আমার দিকে
দুষ্টুমি নজরে তাকিয়ে
ইশারায় বকা দিল।
আমি বললাম-তুমি কি সত্যিই
আজ খুব খুশি?
মেয়েটি বললো- হুমম আজ
আমি অনেক খুশি।কারণ আজ
তোমার আর আমার বিয়ে
যে..

Thursday, February 9, 2017

না ফেরার দেশ💔।

 

নাদিম,নওমি-----------------

Image result for love sad

নাদিম: তোমার মন খারাপ কেন?
নওমি: আমি এখন বিয়ে করতে চাইনা। আমি ডাক্তারি পড়তে চাই। কিন্তু আমার পরিবারের সামর্থ নাই যে আমাকে ডাক্তারি পড়াবে।
নাদিম: আরে পাগলি চিন্তা করনা সব ঠিক হয়ে যাবে। আমিতো আছি। দেখি কি করা যায়।
(ঐ দিন রাতে টিভিতে নাদিম দেখতে পায় একজন মূমুর্ষ রোগির জন্য কিডনি লাগবে)
নাদিম: নাসিফ (ছোট ভাই) কে নিয়ে চলে যাই হসপিটালে। ১০,০০,০০০/- টাকার বিনিময়ে দিয়ে দেয় তার একটা কিডনি।
-----------------
২ সপ্তাহ পর।
-----------------
নাদিম: তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।
নওমি: কি?
নাদিম: (চেক টা দিয়ে) এই নাও।
নওমি: কি এইটা?
নাদিম: তোমার ডাক্তরি পড়ার সমপূর্ন খরচ।
(নওমি টাকা পেয়ে মহাখুসি। কিনতু সে একবারের জন্য তাকে জিঙ্গাসা করেনা টাকা সে কোথায় পেলো। পরের সপ্তাহে নওমি কে ভর্তী করে দেয়।)
নাদিম: ফোন কল। কিন্তু ফোন কেটে দেয়।
(ক্লাস শেষে)
নওমি: তুমি আমাকে ফোন দিছো কেন? যান না আমি এই সময় ক্লাস করি। আমাকে ডিসট্রাব করবানা।
নাদিম: আচ্ছা ঠিক আছে বাবা ছরি। এ্ আমি কানে ধরলাম আর দিব না।
-----------------------------------------------------------------
এভাবে চলতে থাকে। ৪ বছর পর নওমি এখন ডাক্তার।
-----------------------------------------------------------------
নাদিম: তুমি দেখাও করনা, ফোন ও ধরনা কেন?
নওমি: আসলে নাদিম আমি এখন বিয়ে করতে পরবনা। আমি আমার কেরিয়ার ঠিক করতে চাই।
(নাদিমের মাথায় ভেঙ্গে পরে আকাশ)
-------------
৩ দিন পর
-------------
(নাদিম হাসপাতালে)
নাসিফ: আমার ভাইয়ের কি অবস্থা ডাক্তার।
ডাক্তার: সরি আপনার ভাই এর একটি কিডনি তো নাই অন্য কিডনিও সম্পূর্ন  নষ্ট হয়েগেছে। তাকে বাচান সম্ভব না। তার হাতে সময় খব কম।
(কান্নয় ভেঙ্গে পরে নাসিফ ও নাদিমের বাবা। )
নাদিম: নওমি, নওমি, নওমি,
------------------------------------
নাসিফ: (নওমির চেম্বারে) আপু প্লিজ েএকটি বারের জন্য ভাইয়ার সাথে দেখা করুন। 
(নাসিফ সব কিছু খুলে বলে নওমি কে। নওমি পৌছাতেই নাদিমের মৃত্যু হয়। নাদিম চলে যায় নাফেরার দেশে)😭😭😭😭💔💔💔💔
-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
Join Our Newsletter